তুমি নাই হে বঙ্গবন্ধু তাই তোমার মুক্তিযোদ্ধারা রিক্সা চালিয়ে, মানুষের পাদুকা সিলিয়ে, ভিক্ষা করে দিনাতি পাত করে। আবার কেউ কেউ মরনব্যধীর চিকিৎসার অর্থ যোগান দিতে না পেরে লজ্জা ক্ষোভ দুখে আত্মহত্যা করে; এই কি ছিল তোমার লক্ষ? তোমার আদর্শ? তোমার সারা জীবনের জেলে বসবাসের উদ্দেশ্য? কি লাভ হল ৩০ লক্ষ প্রাণ দিয়ে? কি লাভ হল ২ লক্ষ ৪০ হাজার মা বোনের ইজ্জত দিয়ে? কি লাভ হল ১৫ই আগস্ট স্বপরিবারে জীবন দিয়ে? কি পেলে তুমি আর কি পেল তোমার মুক্তিযোদ্ধারা? কেবলি শঠতা প্রতারনা প্রবঞ্চনা স্বজনপ্রীতি লুন্ঠন মিথ্যাচার ভ্রস্টাচার তোমার আদর্শ আর শহীদের আত্বত্যাগের মহিমাকে কলুষিত করলো; দুঃখ থেকে গেল-তোমার সাথে কেন যেতে পারলাম না। তুমি ভালো থেকো সেপারে সে না ফেরার দেশে যেখান থেকে কেউ কোন দিন ফিরে আসেনা । হে পিতা – আমায় আশীর্বাদ করো-আমি যেনো তোমার মতই প্রতিবাদ করে মরতে পারি।
তোমার ভালোবাসায় ধন্য হতভাগা মোকতেল হোসেন মুক্তি, কন্ঠশিল্পী ও তোমার কথায় ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুন উদ্যমী যুবক



