Moktel Hossain Mukthi·Thursday, July 18, 2019·

দেখুন দেশবাসী,
জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আদর্শ সৈনিক কালিয়াকৈরের জননেতা তারুন্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র রেজাউল করিম রাসেলের সাথে দাঁত ভ্যাটকিয়ে হাসছে এক বিশ্ব বেহায়া নিমক হারাম বেঈমান আওয়ামী লীগ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। যিনি কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধুর নৌকা/শেখ হাসিনার নৌকাকে ডুবিয়েছে ভোট চুরি করে-আমার চোখে দেখা বঙ্গবন্ধু সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন এম মন্সুর আলী, এ এইচ এম কামরুজ্জামান হেনা ভাইদের সাথে খন্দকার মোস্তাক আহমেদ এভাবেই হাসতো যে হাসি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে উদ্গত নয়।বঙ্গবন্ধু বুঝতেন যে মোস্তাকের এ হাসির অন্তরালে বিষ লুকিয়ে আছে; তারপরেও কিছু বলতেন না। কত ভালোবাসতেন।

আ ক ম মোজাম্মেল হকের এ হাসিও ঠিক মীর জাফর ঘসেটি বেগমের হাসি, যে হাসি হেসেছিল কালিয়াকৈর উপজেলার নিবেদিত ত্যাগি সৎ নিষ্ঠাবান চৌকস মেধাবী জনপ্রিয় রেজাউল করিম রাসেলের বিরুদ্ধে নৌকার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনারস মার্কার জন্য ভোট চুরি করে বঙ্গবন্ধুর নৌকাকে ডুবিয়ে। খন্দকার মোস্তাকও ৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের আগে মেক আপ রুমে এমন করেই হেসেছিল।আ ক ম মোজাম্মেল হক আওয়ামী লীগের সাথে, জাতিরজনকের সাথে, মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক নৌকার সাথে, শেখ হাসিনার সাথে বেঈমানী করার পরেও রেজাউল করিম রাসেল আকম মোজাম্মেল হকের উপর এত টুকু রাগ অভিমান করেন নি। একটি কথাও মূখ দিয়ে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেড় হয়নি; এরই নাম শিক্ষা শিষ্টাচার ভদ্রতা এবং চৌকস রাসেলের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। এটাই হচ্ছে ত্যাগের মহান আদর্শের প্রতিচ্ছবি।যেদিন তাজুদ্দিন সাহেব সচিবালয়ের প্রথম নয়তালা ভবনের অর্থ মন্ত্রণালয়ের কক্ষ থেকে পূর্বদিকের লিফটে মন্ত্রী হিসেবে জীবনের শেষ সচিবালয় ছেড়ে যাচ্ছিলেন। অনেক কেদেছিলাম। জড়িয়ে ধরতে সাহস পাইনি কারন সাথে অনেক বড় বড় নেতাগণ ছিলেন। অনেক প্রশ্নের বান তাকে বিদ্ধ করেছে-কিন্তু মূখ ফুটে জাতিরজনকের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলেন নি তাজুদ্দিন সাহেব।

আকম মোজাম্মেল হক সাহেব মন্ত্রীত্বের দোহাই/ক্ষমতা দিয়ে কালিয়াকৈরে আওয়ামী লীগের কর্মীদের হয়রানি করছেন। নৌকার নেতা কর্মীদের নামে ৪/৫ টা মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন ভূয়া জিডি/মামলা করে রাসেলের সমর্থকদের কালিয়াকৈর ছাড়া করে রেখেছেন অথচ রাসেল আজো তার সাথে হেসে কথা বলে, শ্রদ্ধা করে। অন্য কোন নেতা হলে এই নিমক হারাম বেঈমান আকম মোজাম্মেল হকের পাশে কোন দিনই বসতেন না।সকল বিচারের ভার জাতি আজ বঙ্গবন্ধু তনয়া আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর উপর ছেড়ে দিয়েছে।

কালিয়াকৈর বাসী বিচার চায় । কালিয়াকৈরবাসী আর আ ক ম মোজাম্মেল হককে আওয়ামী লীগের কমিটি বা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়না। মানুষ খন্দকার মোস্তাকের প্রেতাত্বাকে চিরতরে গাজীপুর থেকে অপসারন চায়।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জয় হোক কালিয়াকৈরবাসীরমুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সঙ্গীত শিক্ষক ও জাতীয় কন্ঠশিল্পী
