
সঠিক মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের জন্য চাই
“আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন”
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। আমি কোন ইতিহাসবীদ নই, যদিও ইতিহাস আমার লেখা পড়ার একটি বিষয় ছিল। আমি কোণ গবেষক নই, পন্ডিত বা জ্ঞানপাপী নই। আমার চোখে দেখা এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকালে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি কথা বলি। কারো থেকে শুনে বা জেনে জ্ঞান সংগ্রহ করে লেখালেখি করিনা।
৭১ এর সে ত্রাহী ত্রাহী ক্ষণ, ঘর ছেড়ে সাড়ে সাত কোটি মানুষের পালিয়ে বেড়ানো, আত্ম রক্ষার জন্য এক জেলা আর এক জেলা, শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়ীতে যাবার পথে হয়রানি, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পতিমধ্যে পাক সেনা ও আল বদর আল শামস রাজাকার কর্তৃক লুন্ঠন লাঞ্ছনা যুবতী মেয়েদের অপহরণ ধর্ষণ হত্যার মত মধ্যযুগীয় বর্বর লোমহর্ষক গণহত্যা অনেক কিছু নিজের চোখে দেখা আমার স্বপ্ন সাধনা ৭১ এর মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ ।
আ’লীগ সরকার জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করা সোনার ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে সীমাহীন দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও অমুক্তিযোদ্ধাদের সনদ প্রদানও ঠিক ৭১ এর মত আমার নিজের চোখে দেখা-আমি নিজেই কালের স্বাক্ষী- কারো থেকে নেয়া সংবাদে আমি বিশ্বাস করিনা। এই অনাচার অবিচার অন্যায় জুলুম দুর্নীতি ঘুষ স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে আমার এ সংগ্রাম।
আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারী সাহায্য পাবো, সে আশায় আমি এ যুদ্ধ করছি না এবং সে লোভে মুক্তিযোদ্ধা হতে চাইনা;
মোকতেল হোসেন মুক্তি
আমার দাবী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে যেনো কোন ভুল না হয় এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পৃক্ত দোষী লোভী নেতা মন্ত্রী কমান্ডারদের বিচারের আওতায় আনা হোক।
হোক আর একটিবার গোটা দেশ ব্যাপী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন ।

সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই; এ ধরনের বক্তব্য শেখের বেটির নিকট জাতি প্রত্যাশা করে না। কোন একটি দেশের এমন কোন হাই কমিশন / দূতাবাস নেই যেখানে দুর্নীতি নেই এবং যেখানে প্রবাসী বাঙ্গালীদের সাথে ভালো আচরন করা হয়; দূতাবাসে গেলেই আপনাকে ধমকিয়ে আপনার ১২ টা বাজাবে। উলটা পালটা প্রশ্ন করে হয়রানি করবে; আপনাকে ভুলিয়ে দেবে যে আপনি কি অভিযোগ নিয়ে তাদের নিকট গিয়েছেন। কেরানীর বাচ্চারা হচ্চে সব চেয়ে বড় হাই কমিশনার; এই শূয়োরদের আচরন পাকিস্তানী সেনা বাহিনী বা রাজাকারের চেয়েও জঘন্য। কাজেই
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লজিক, ফিলোসফি, সাইকোলজি সভা সমিতিতে ব্যক্ত করা বা বক্তব্যে প্রকাশ করা বাস্তব জীবন থেকে সহস্র কোটি কিলোমিটার ব্যবধান।
আপনার সামনে গেলেই আপনার মন্ত্রী আমলা চামচা গামলা চাকর কেরানী পুলিশ বি ডি আর সেনা বাহিনী নৌ বাহিনী বিমান বাহিনী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাকর বাকর জি আপা জি আপা করে সোয়া সের ঘি মর্দন করে আপনাকে খুশি করে দেয়। আপনি ওদের আচরনে মূগ্ধ হয়ে মিস্টি বক্তব্য এবং প্রবাসীদের খুশি করা ভাষন দিয়ে নানাবিধ আশ্বাস প্রদান করে দেশে ফিরেন।
অতি সম্প্রতি আপনার অনর্থ মন্ত্রী আদম বেপারী লোটাস কামাল সাহেবও প্রবাসীদের প্রশংসায় গদ্গদ এবং হাজারো প্রতিশ্রুতি।
বাস্তবের সাথে যার বিন্দু মাত্র মিল নেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
আমাদের মত সমাজে দু’একটি কুলাঙ্গার জন্মায় যারা পরেরটা ছিনিয়ে খেতে জানে না; ক্ষমতা জমি টেন্ডারবাজী চাঁদাবাজি সন্ত্রাস লুন্ঠন কোনটাই পারে না; শুধু পারে ফেসবুক টূইটর গুগল ইয়াহু ফ্লিকর ইনষ্টগ্রামে লিখতে হাই কাউ করতে চিল্লা চিল্লি করতে; যদিও আপনার দফতরের কোন একটি বান্দরেও তা’ পড়ে দেখে না। যদিও পড়ে তাহলে আপনাকে জানাবে না-জানায় না।
১৯৭২ থেকে ৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট পর্যন্ত জাতিরজনককে দেখেছি। দেখেছি তাঁর ব্যর্থ লোভী মন্ত্রী পরিষদের সকল সদস্য, সংসদ সদস্য, ছাত্র নেতা ( কুদ্দুস মাখন সিরাজ রব গংদের) দেখেছি গাজী গোলাম মোস্তফার টিসিবির কম্বল; দেখেছি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠজন বন্ধু সহকর্মী সফল সাংবাদিক মরহুম তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার কুপুত্র ব্যারিস্টার মঈনুলের “বাসন্তীর কৃত্তিম জালের শাড়ী” স্ক্যান্ডেল; দেখেছি ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ। দেখেছি বাকশালের উত্তান ( নিজে বাকশালের অনেক খসড়া টাইপও করেছি)
বর্তমান আওয়ামী লীগের উন্নয়নের স্রোত ধারার সাথে মিশে গেছে ৭১ এর ঘাতক দালালের মত কচুরিপানা শ্যাওলা-এ শ্যাওলা কচুরী পানা কোথায় গিয়ে থামবে বা দেশ জাতি ও আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পাকিস্তান জিন্দাবাদ পর্যায়ে নিয়ে যাবে কিনা> ভাববার বিষয় আছে বৈ কী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?
বিশ্বের সকল দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ সরকারের যতগুলো মিশন রয়েছে। সব চোর-সব দুর্নীতিবাজ, ঘুসখোর” এ কথা আপনার বিভাগীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীরা জেনেও চুপ! এবং এই যে চুপ থাকার সমূহ কারনগুলো আপনাকে কেউ খতিয়ে দেখতে বলে না-তাই আপনি জানেন না। আপনার মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা যে দেশেই যান-স্বস্ত্রীক বা স্বপরিবারে অথবা একা। হাই কমিশন/দূতাবাসের আতিথেয়তায় ভুলে যায় তাদের বিরুদ্ধে আনীত হাজারো অভিযোগের কথা। হয়তো গোপনে পকেটে বা একাউন্টে কিছু যায়। যায় বৈ কী? ১৫ বছর মালদ্বীপ থাকি। শয়তান ইবলিশ মদ খোর গাজাখোর চোর ডাকাত ডলার ব্যবসায়ী/আত্মসাতকারী/নারী পাচারকারী/আদম পাচারকারী/ সবই ত চিনি এবং সব লুটেরাই আমাকেও চিনে সূতরাং তাদের কৃতকর্মের আদিঃঅন্ত/ইতিবৃত্ত গল্প কাহিনী আমার চেয়ে তো আপনার মন্ত্রী আমলারা বেশী জানেন না মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
এ ঘুনে ধরা দুর্নীতির মূল উৎপাটন জাতিরজনক করে যেতে পারেন নি; আপনিও পারবেন না। জাতিরজনক পল্টনের ময়দানে সরাসরি এদের চোর লুটেরা অসত দুর্নীতিবাজ বলাতে গোটা প্রশাসন তথা আমলাদের লুটেরা বাহিনীই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে চলে গিয়ে আরো ডুবিয়ে দিয়েছিল সোনার বাংলাদেশকে। ওদের সাথে যোগ দিয়েছিল তাহের উদ্দিন ঠাকুর, চাষী মাহবুবুল আলম, কে এম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জ্বেম হোসেন যাদের নেতৃত্ব দিয়েছিল কুখ্যাত খন্দকার মোস্তাক আহমেদ।
আপনি শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ত নন’
জাতিরজনকের কর্মধারা কর্মপরিধি চিন্তা চেতনা আর আপনার চিন্তা চেতনা এক হবে কেন? এতো মহান আল্লাহ্ই তৈরী করেন নি। প্রতিচ্ছায়া রক্ত কনিকায় আছে বলেই দেশ জাতির জন্য এভাবে ভাবেন, কাজ করেন। তারপরেও আপনি বঙ্গবন্ধু নন-আপনি তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী “শেখ হাসিনা”।
বঙ্গবন্ধুর এতো উপাধী ছিল না। দরকারো নেই। আপনাকে এতো উপাধী দিতে দিতে আপনাকে পাগল করে ফেলেছে চামচিকার দল। আপনি নিজেও জানেন না আপনার উপাধীর সংখ্যা কত শতকে গিয়ে দাড়িয়েছে। এর কারন কি জানেন আপা? আপনার আদর্শ চিন্তা চেতনা লক্ষ কর্মদক্ষতাকে অন্যকাজে লাগাতে আপনার চতুর্দিকে আপনাকে জড়িয়ে থাকা অক্টোপাসের দল আপনার নিকট প্রিয় হবার জন্য, আপনাকে খুশি করার জন্য, নিজেদের স্বার্থ সিদ্দির জন্য এ সকল ভূয়া অমূলক অপ্রয়োজনীয় অহেতুক উপাধীতে ভূষিত করছে। ওরাই আমজাদ হোসেন আর আহমেদ শরীফকে আপনার সাথে সাক্ষাতের এবং বিপুল পরিমান অর্থ বরাদ্ধের জন্য সুপারিশ করেছে। ওরাই মুক্তিযোদ্ধাদের “বালের মুক্তিযোদ্ধা” খেতাব দিয়েছে। ওরাই মাদারীপুর/শরীয়তপুর সহ সকল জেলা উপজেলাগুলোতে নৌকার টিকেট বিক্রয় করেছে কোটি কোটি টাকা। ওরা আপনার সাথেই আছে। গণভবনে ওদের অনুমতি ছাড়া একটা মশা মাছিও প্রবেশের অধিকার / ক্ষমতা রাখে না। প্রশ্ন আসে-আহমেদ শরীফ কিভাবে আপনার সাথে সাক্ষাত পেলো? কার মাধ্যমে? কে দিল এই ৩৫ লক্ষ টাকার অনুদানের উপদেশ/ পরামর্শ? আপনি কি জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী-কতজন তৃণমূল নেতাকর্মী মুক্তিযোদ্ধা/মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় আহত শেখ হাসিনা পাগল বেহায়া নৌকার কান্ডারী গুলো না খেয়ে আছে? বা পকেটে কানা কড়ি নেই অথবা এক কাপ চা’য়ের পয়সা অন্যের নিকট থেকে চেয়ে নিতে হয়? অথবা মা বাবার নিকট পকেট খরচে টাকা নিয়ে নৌকার মিছিল করতে হয়? কি করলেন আপনি? কার জন্য করলেন? কোন আশায় করলেন? কি আহমেদ শরীফ আর আমজাদ হোসেনের পরিবার আপনার জন্য দোয়া করবে বা অদূর ভবিষ্যতে নৌকায় ভোট দেবে? বড় ভুল করলেন আপা। আপনি খবর নিয়ে জেনে দেখুন কে বা কারা আপনাকে ভালোবেসে মহামূল্যবান বুকের রক্ত ঢেলে দিতে পারে! তারা গণভবনে যাবার সুযোগ পায়না; পেলেও ঐ গণভবনের চামচাদের কারনে তাদের মনের কথা/আসল অভিব্যক্ত প্রকাশ করতে পারে না। গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আপা, আপনার প্রধানমন্ত্রীর অফিস ও গণভবনের ঐ সব তোষামোদকারী চাটুকরের দলই একদিন আপনাকে ডুবাবে। এ আমার মনগড়া কথা নয় আপা। আমি নিজেও দেখেছি আপনি তাদের আচরন/কাজ কর্ম ও চালচলনে খুশি নন। তাহলে আমার সামনেই ওদের ধমক দিয়ে বলতেন না” তুই চুপ কর” । তার অর্থ কী আপা? অর্থাৎ আপনাকে কস্ট করে কারো সাথে কথা বলতেও দিতে চায় না ওরা। সে ভারতীয় বাংলা ছবি উত্তম কুমারের “ পৃথিবী আমারে চায়” ছবির জমিদারের নায়বের মতই -”আপনার মূখের কথা কেড়ে নিয়ে ওরাই বলে দিতে চায়-বুঝাতে চায় আপনার কথা বলতে কষ্ট হয় অথবা এতোগুলো চামচিকা থাকতে আপনি কেন সব কথা বলবেন? হয়তো বুঝাতে পারিনি আপা। আর ৭২ সালে টঙ্গী গাজীপুরে সশস্ত্র ডাকাত আ ক ম মোজাম্মেল হকের কথা না হয় নাই বললাম। ডাকাত যখন মন্ত্রী তখন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের নিকুচি করি। মুক্তিযোদ্ধারা যত দ্রুত প্রাণ ত্যাগ করে ততই মঙ্গল অন্যথায় আপনার অনুদান দয়া দাক্ষিণ্যের প্রভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের মহিমা ধুলায় লুন্ঠিত হবার ১০০ সম্ভাবনা রয়েছে।
এ লেখা আপনার চোখে পড়বে না সে জানি ।
কিন্তু যাওয়া উচিত। যদি দেশ স্বাধীন হয়ে থাকে, যদি দেশে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা থাকে-আপনার নিকট পৌছানো উচিত।
এখানে আমি আমার ব্যক্তি স্বার্থের জন্য একটি শব্দও ব্যবহার করিনি। মুক্তিযোদ্ধা কন্ঠশিল্পী সঙ্গীত শিক্ষক সুরকার গীতিকার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ সময়৭১, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা,
কোলকাতা হাওড়ার এক ট্রেনযাত্রী টিকেট ক্রয় করলে রেলওয়ের সেলসম্যান এক পয়সা ফেরত দিতে পারেনি ভাংতি ছিলনা বিধায়;
যাত্রী বলল লিখিত দিন; কাউন্টার থেকে লিখিত দেয়া হলঃ
“ভাংতি ছিলনা বিধায় এক পয়সা ফেরত দেয়া গেল না”। এক পয়সা না দেবার কারনে ঐ যাত্রী কোর্টে মামলা করলেন খোদ কোলকাতা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এবং মামলা চলেছিল যুগের পর যুগ । গত কয়েক বছর আগে সে মামলার রায় হয়েছে এবং ঐ যাত্রী আদালতের রায়ে জয়ী হয়। অতঃপর ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ উল্লেখিত “এক পয়সা” জরিমানা প্রদান করে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করে যারা গ্রিনিজ বুকে লিপিবদ্ধ হয়;ঐ যাত্রীকে সাংবাদিকগণ প্রশ্ন করেছিলঃ এক পয়সার জন্য আপনি এত বছর মামলা চালিয়ে গেলেন কেন?
যাত্রী বলেছিলঃ আমার মামলা ও লড়াই এক পয়সার জন্য রেলওয়ের বিরুদ্ধে নয়; আমার লড়াই ছিল একটি সিস্টেমের বিরুদ্ধে; সরকারী বিধি রীতি নীতি ও কর্মচারী কর্মকর্তাদের অহেতুক হয়রানি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে। এর পর থেকে রেলওয়ে আর কোন যাত্রীকে বলবে না, এক টাকা কম নিন ভাংতি নেই।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। সে সোনালী লোমহর্ষক গণহত্যা স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করা সোনার ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার এ সংগ্রাম।আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারী সাহায্য পাবো, সে আশায় আমি এ যুদ্ধ করছি না এবং সে লোভে মুক্তিযোদ্ধা হতে চাইনা;
আমার দাবী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে যেনো কোন ভুল না হয়; যেনো কাউকে প্রতারণা করা না হয়; কারো ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ধরা না পরে এবং একটি মুক্তিযোদ্ধাও যেনো জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ না হ’ন।
সে লক্ষ্যেই বর্তমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অযোগ্যতার কারনে বদল করা একান্ত অপরিহার্য ;
মোকতেল হোসেন মুক্তি
মুক্তিযোদ্ধা কন্ঠশিল্পী
সভাপতি
মালদ্বিপ আওয়ামী লীগ
সময় ৭১

“মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় সমীপে মুক্তির খোলা চিঠি”
মোকতেল হোসেন মুক্তি
Posted byFreedom Fighter Moktel Hossain MukthiPosted inUncategorizedEdit মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় সমীপে মুক্তির খোলা চিঠিঃ
মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় সমীপে মুক্তির খোলা চিঠিঃ
মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় সমীপে মুক্তির খোলা চিঠিঃ
মহোদয়,
যথাযোগ্য মর্যাদা ও সন্মান পুরঃসর বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশি জাতীয় কন্ঠশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নূর আলীর ব্যক্তিগত সচিব থাকাকালীণ ২০০২ সালে জামাত বি এন পি জোট সরকারের অবৈধ আস্তানা “হাওয়া ভবনের” ভূয়া মামলা ও নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হই এবং মালদ্বীপে এসে একটি স্কুলে শিক্ষকতা শূরু করি।
আমার চির স্বভাবজনিত দুর্বিনীত প্রতিবাদী মানসিকতার কথা স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমান সরকারের বহু নেতা/মন্ত্রীগণ অবহিত রয়েছেন। আওয়ামী লীগ অফিসে বঙ্গবন্ধুর গানের মুক্তি নামেই সর্বজনবিদিত।
আওয়ামী রক্ত তাই প্রবাসে এসেও নীরব থাকতে পারিনি; যে দেশে প্রবাসীদের রাজনীতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ সে দেশে আমি মুক্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ।
মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ( সাবেক হাই কমিশন) এর সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী হিসেবে বহু লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে।
এমন কি এতদবিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জেনারেল আবেদীন, সাবেক মন্ত্রী কর্নেল ফারুক, আব্দুস সোবহান গোলাপ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, জয়নাল হাজারী, শামীম ওসমান, জুনায়েদ আহমেদ পলক ও ডঃ দীপুমনিও অবহিত আছেন।
মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের অনেক অনুষ্ঠানেই বহু মন্ত্রী ও মান্যবর সাবেক হাই কমিশনার রিয়ার এডমিরাল আওয়াল সাহেবও যোগদান করেছিলেন । ভিডিও ও ছবি প্রমানবহন করে (ছবি সংযুক্ত )

মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২০১৪ সালে ইস্কান্দার স্কুলে জাতীয় শোক দিবস পালনের আয়োজন করেছিলাম । সে অনুষ্ঠান করতে দেয়নি হেড অফ দি চ্যাঞ্চেরী হারুন অর রশিদ।
আমি মালদ্বীপের মহামান্য প্রেসিডেন্ট ডঃ ইয়ামীন মাওমুনের একটি অনুষ্ঠানে তাঁর সামনেই ছিলাম।

হঠাত একটি ফোন এলোঃ
*******************
ঃহ্যালো আমি হেড অফ দি চ্যাঞ্ছেরী হারুন অর রশিদ বলছি;
ঃকে মুক্তি সাহেব বলছেন?
ঃজ্বি
ঃশুনেছি আপনি ১৫ই আগষ্ট পালন করছেন আপনার ইস্কান্দার স্কুলে?
ঃজ্বি আমার সব অনুষ্ঠান তো ইস্কান্দার স্কুলেই হয়ে থাকে।
ঃআপনি এ অনুষ্ঠান করতে পারবেন না; ঐ দিন হাই কমিশন থেকে অনুষ্ঠান করা হবে সূতরাং আপনার অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে;
ঃআমি এ মুহূর্তে কথা বলতে পারছি না; আমি প্রেসিডেন্টের সামনে কাজেই পড়ে কথা বলছি;
ঃআপনি বুঝতে পারছেন তো যে হাই কমিশন আপনাকে কল করেছে?
******************
মালদ্বীপের রাজধানী মালে ইস্কান্দার স্কুলে আমি মুক্তি যে হলটিতে পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রবাসী কল্যান ও জনশক্তিমন্ত্রী ইঞ্জিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেরকে সংবর্ধনা দিয়েছি, সে হলেই আয়োজন করেছিলাম জাতীয় শোক দিবস ২০১৪।
সে অনুষ্ঠানের অপরাধেই আমার মালদ্বীপের সোনালী দিনগুলো ১৫ই আগস্টের চেয়েও ভয়াবহ করে তুলেছিল এই হারুন অর রশিদ, হেড অফ দি চ্যাঞ্ছেরী এবং সাবেক হাই কমিশনার রিয়ার এডমিরাল আওয়াল।
********
মালদ্বীপে আমার হাতে গড়া আওয়ামী লীগের ছেলেদের ভয় ভীতি দেখিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিয়ে আমাকে পঙ্গু করে দেয়া হল। তারপরেও হারুন অর রশিদ সাহেবের খায়েশ মিটেনি। সে মালে অবস্থানরত তার পোষা দালাল আদম ব্যবসায়ী, গাঞ্জা ব্যবসায়ী, ডলার ব্যবসায়ীদের একটি গ্রুপ নিয়ে চলে এবং সীমাহীন দুর্নীতি লুটপাট করে বেড়ায়। এখানে অতিরঞ্জিত কিছুই লিখছি না। প্রমান সহই দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণ করেছি আমি তদন্ত চাই। অতি সম্প্রতি সে ঐ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে। আমাকে টেলিফোনে মারধর করার হুমকি দিয়েছে। বিষয়টি মালদ্বীপ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।
মালদ্বীপ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে গেল। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে বাংলাদেশ দূতাবাস গত ২১শে ফেব্রুয়ারি এবং স্বাধীনতা দিবসে একজন ভারতে প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় কন্ঠশিল্পী ও মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মালদ্বীপ সরকারের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিক্ষক (আমি নিজে ), একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মালদ্বীপে কর্মরত ৩৩ বছরের সিনিয়র ফিজিক্সের শিক্ষক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মীর সাইফুল ইসলাম এবং আর একজন ২৫ বছর যাবত মালদ্বীপে শিক্ষকতায়রত গজল সঙ্গীত শিল্পী মালদ্বীপের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সর্বজনবিদিত শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম।

মহান স্বাধীনতা দিবসে কেন আমাদের দূতাবাস নিমন্ত্রণ করেনি? আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভাগীয় মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে আপনাকে অবহিত করলাম।
আমরা জাতীয় সম্পদ। আমাদেরকে জাতীয়ভাবেই অপমান করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। কারন জানতে চাই।
মহানুভব, পররাষ্ট্রনীতি ও কুটনৈতিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাত আপনার সমগ্র জীবনের লব্ধ অভিজ্ঞতা আজ পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রশাসনিক জটিলতা সমস্যাদি সমাধান ও বিদেশের সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপনে আপনার সততা শ্রম ও সফলতার সূত্র ধরেই আজ সুবিচারের প্রত্যাশায় আপনাকে অবহিত করলাম। যদি বাংলাদেশ সরকার মনে করে আমি বাঙ্গালী নই, বাংলাদেশী নই-আমার পাসপোর্ট বাংলাদেশ সরকার জব্ধ করতে পারে, আমার কোন আপত্তি নাই। কিন্ত এ অপমানের বোঝা নিয়ে বাঙ্গালী হিসেবে আর মালদ্বীপে পরিচয় দিতে চাইনা। প্রয়োজনে পাসপোর্ট পুড়িয়ে শরণার্থী হয়ে যাবো যেমনটি হয়েছিলাম ১৯৭১ সালে ভারতে আশ্রয় নিয়ে।
ভালো থাকুক দেশের মানুষ ভালো থাকুক শেখ মুজিবের নিরস্পেষিত নির্যাতিত লাঞ্ছিত বঞ্চিত অবহেলিত চির দুখি চির সংগ্রামী বাঙ্গালী জাতি।
আল্লাহ আপনার ভালো করুন;
দেশ আরো এগিয়ে যাক, আরো উন্নয়ন ঘটূক, উত্তরোত্তর বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ খ্যাত স্বীকৃতিকে ডিঙ্গিয়ে উন্নত দেশের তালিকায় লিপিবদ্ধ হোক;
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
আপনার একান্ত ভক্ত অনুরাগী
মোকতেল হোসেন মুক্তি
মুক্তিযোদ্ধা
জাতীয় কন্ঠশিল্পী
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা
সময়’৭১
সিনিয়র সহ সভাপতি
প্রাণের’৭১
উপদেষ্টা বাংলাদেশ আওয়ামী তরুন লীগ
কেন্দ্রীয় কমিটি
সাধারন সম্পাদক
মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটি কল্যাণ সমিতি
সিনিয়র সঙ্গীত শিক্ষক
ইস্কান্দার স্কুল মালে,
মালদ্বীপ রিপাবলিক




Moktel Hossain Mukthi·Monday, August 5, 2019·

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চলছে তামাশা। অতিরঞ্জিত তেল মালিশ। এ কথা ১৭ কোটি মানুষ স্বীকার করবেন যে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কোন আউলিয়া দরবেশ ছিলেন না। আউলিয়া পীর গাউস কুতুব মোজাদ্দেদীয়া কোনটিই ছিলেন না বংগবন্ধু। তিনি ছিলেন বংগবন্ধু, চৌকস রাজনীতিবীদ, ত্যাগি সহিষ্ণু অত্যন্ত ধৈর্যশীল চিন্তাবিদ প্রাজ্ঞ মেধাবী একজন মহান নেতা। শোষিত বাংগালীর দরদী বন্ধু।
সূতরাং হুইপ স্বপন সাহেবের সাম্প্রতিক কথাবার্তা বেসামাল এবং অত্যন্ত চাটুকারিতা ও তেল মালিশ। এতে জাতিরজনককে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে মাত্র।

সূতরাং হুইপ স্বপন সাহেবের সাম্প্রতিক কথাবার্তা বেসামাল এবং অত্যন্ত চাটুকারিতা ও তেল মালিশ। এতে জাতিরজনককে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে মাত্র।
সঠিক মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের জন্য চাই
“আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন”
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। আমি কোন ইতিহাসবীদ নই, যদিও ইতিহাস আমার লেখা পড়ার একটি বিষয় ছিল। আমি কোণ গবেষক নই, পন্ডিত বা জ্ঞানপাপী নই। আমার চোখে দেখা এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকালে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি কথা বলি। কারো থেকে শুনে বা জেনে জ্ঞান সংগ্রহ করে লেখালেখি করিনা।
৭১ এর সে ত্রাহী ত্রাহী ক্ষণ, ঘর ছেড়ে সাড়ে সাত কোটি মানুষের পালিয়ে বেড়ানো, আত্ম রক্ষার জন্য এক জেলা আর এক জেলা, শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়ীতে যাবার পথে হয়রানি, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পতিমধ্যে পাক সেনা ও আল বদর আল শামস রাজাকার কর্তৃক লুন্ঠন লাঞ্ছনা যুবতী মেয়েদের অপহরণ ধর্ষণ হত্যার মত মধ্যযুগীয় বর্বর লোমহর্ষক গণহত্যা অনেক কিছু নিজের চোখে দেখা আমার স্বপ্ন সাধনা ৭১ এর মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ ।
আ’লীগ সরকার জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করা সোনার ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে সীমাহীন দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও অমুক্তিযোদ্ধাদের সনদ প্রদানও ঠিক ৭১ এর মত আমার নিজের চোখে দেখা-আমি নিজেই কালের স্বাক্ষী- কারো থেকে নেয়া সংবাদে আমি বিশ্বাস করিনা। এই অনাচার অবিচার অন্যায় জুলুম দুর্নীতি ঘুষ স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে আমার এ সংগ্রাম।
সঠিক মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের জন্য চাই
“আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন”
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। আমি কোন ইতিহাসবীদ নই, যদিও ইতিহাস আমার লেখা পড়ার একটি বিষয় ছিল। আমি কোণ গবেষক নই, পন্ডিত বা জ্ঞানপাপী নই। আমার চোখে দেখা এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকালে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি কথা বলি। কারো থেকে শুনে বা জেনে জ্ঞান সংগ্রহ করে লেখালেখি করিনা।
৭১ এর সে ত্রাহী ত্রাহী ক্ষণ, ঘর ছেড়ে সাড়ে সাত কোটি মানুষের পালিয়ে বেড়ানো, আত্ম রক্ষার জন্য এক জেলা আর এক জেলা, শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়ীতে যাবার পথে হয়রানি, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পতিমধ্যে পাক সেনা ও আল বদর আল শামস রাজাকার কর্তৃক লুন্ঠন লাঞ্ছনা যুবতী মেয়েদের অপহরণ ধর্ষণ হত্যার মত মধ্যযুগীয় বর্বর লোমহর্ষক গণহত্যা অনেক কিছু নিজের চোখে দেখা আমার স্বপ্ন সাধনা ৭১ এর মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ ।
আ’লীগ সরকার জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করা সোনার ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে সীমাহীন দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও অমুক্তিযোদ্ধাদের সনদ প্রদানও ঠিক ৭১ এর মত আমার নিজের চোখে দেখা-আমি নিজেই কালের স্বাক্ষী- কারো থেকে নেয়া সংবাদে আমি বিশ্বাস করিনা। এই অনাচার অবিচার অন্যায় জুলুম দুর্নীতি ঘুষ স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে আমার এ সংগ্রাম।
আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারী সাহায্য পাবো, সে আশায় আমি এ যুদ্ধ করছি না এবং সে লোভে মুক্তিযোদ্ধা হতে চাইনা;
আমার দাবী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে যেনো কোন ভুল না হয় এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পৃক্ত দোষী লোভী নেতা মন্ত্রী কমান্ডারদের বিচারের আওতায় আনা হোক।
হোক আর একটিবার গোটা দেশ ব্যাপী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন ।

এই বিশ্ব বেহায়া বেশরম নিমক হারাম জাতীয় বেঈমান খন্দকার মোস্তাকের প্রেতাত্বা আকম মোজাম্মেল হককে চিনে রাখুন। একজন রগচটা বদ মেজাজী দুর্নীতিবাজ মিথ্যাচারী ভ্রস্টাচারী নৌকার সাথে মীর জাফরি করা আ ক ম মোজাম্মেল হকের বিচার চাই। এটাই শেষ কথা।
ইতিহাসের ঘৃণ্য কালো অধ্যায় ১৫ঈ আগস্টের মধ্যযূগীয় বর্বর হত্যাকান্ডের লাশ দেখে আমি পাগল হয়ে যাই। পিজি হাসপাতালে আমার ৩ মাস চিকিতসা চলে এবং সে তিন মাসের বেতন ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তন করে। এ কথা সকলেই জানেন।আমি ভারতের প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আমার ঘরের সব কাগজপত্র আমার ভাইদের শিক্ষার সনদ, জমির দলিল দস্তাফেজ সমূহ সব মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ছিড়ে ফেলি। আমার পরিবারের সব আমি ধংস করে ফেলেছিলাম। ভুমি মন্ত্রনালয় তার প্রমান।
আমি মন্ত্রীকে এসব কথা বলাতে আমাকে অপমান করতে পারেন না। আমি প্রবাসে থাকি। আমাকে আবেদনের সুযোগ না দিয়ে অপমান করার অধিকার মন্ত্রীর নাই। তিনি আমার দরখাস্ত গ্রহন করা ও না করার অধিকার রাখেন কিন্তু মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর নির্দেশে আমাকে অপমান করতে পারেন না। তিনি আমার আবেদনে লিখেছেন
“যেহেতু আবেদনকারী বহুবার দেশে এসেছিলেন এবং আবেদন করেন নি তাই তার আবেদন গ্রহন করা গেল না”
তিনি মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর শিখানো কথা মত বললেনঃ ৪৫ বছর পরে মুক্তিযোদ্ধা হতে এসেছে। বের করে দেন”।
আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই, একজন সক্রিয় আওয়ামি যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া আমার জীবনে অন্য কোন বিষয় কাজ করেনি এবং এ মুক্তিযুদ্ধ বংগবন্ধ ও আওয়ামী লীগই আমার ধ্যান ধারনা চিন্তা চেতনা আদর্শ এ কথা প্রমান করে আমার ৬০ হাজার প্রায় লীফলেটস, ব্যানার ও পোষ্টার এশিয়ায় ইন্টারনেট চালু হবার পর থেকেই কার বিনা প্ররোচনায় করে এসেছি। শুধু তাই নয় আমি ২০০ ওয়েব সাইট ও ব্লগ মেইনটেইন করি যা’শুধু যুদ্ধাপরাধী মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ সংক্রান্ত। এ সকল ছবি ও ব্লগ/ওয়েবসাইটগুলোই প্রমান করে যে আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রীতিমত একজন বদ্ধ উন্মাদসম গবেষক।
Just write my name on the google search engine where you’ll get real Identity of mine “write Moktel Hossain Mukthi or muktimusician.
এ ছাড়াও আমি একজন একনিষ্ঠ অনলাইন আওয়ামী যোদ্ধা। মালদ্বীপের বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, মালদ্বীপের মাটিতে আমিই সর্ব প্রথম মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু এবং পাকিস্তানের ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা প্রদান করে পাকিস্তান হাই কমিশনের মামলা খাওয়া একজন মালদ্বীপ সরকারের শিক্ষক।
মন্ত্রী মহোদয় এ সব পরিচয় জানার পরেও বলেন নি যে আপনি বসেন বা কিছু বরং তাঁর আচার ব্যবহার এতই রুঢ় ছিল যা’ শিবির বা জামাতের কারো সাথে করছেন বলে অনুমেয়। আমার সাথে ভদ্র ভাষায় কথাও বলেন নি। এক পর্যায়ে জেনারেল সুবিদ আলীর কথায় তিনি আমাকে ঘাড় ধরে তাঁর কক্ষ থেকে বেড় করে দেয়ার কথা বলেন এবং অতঃপর………।।
তিনি মন্ত্রী না হলে হয়তো সেখানেই কোন দুর্ঘটনা ঘটে যেতো। আমি আমার নিজেকে নিয়ন্ত্রন করে চলে আসি। আমার সহযোদ্ধারা এখনো অনেকেই বেচে আছেন। ড: গোলাপ আমার সাথের একই ক্যাম্পের যোদ্ধা। আওয়ামি যোদ্ধা।
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সব সময় প্রচন্ড মিথ্যা কথা বলেন। যা’ মিডিয়া ও বক্তৃতায় বলেন, বাস্তবের সাথে তার কোন মিল নেই; তিনি যা বলেন সব মিথ্যা কথা মিথ্যা তথ্য। এখনো বহু আসল মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভুক্ত করতে পারেনি অথচ তিনি বক্তৃতায় ঘোষনা করলেন সকল জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড করা হবে। আসল অনেক মুক্তিযোদ্ধার নামই সংগ্রহ করতে পারেন নি-তিনি কিভাবে এ ঘোষনা প্রদান করেন?
তার দেয়া সব তথ্য জাতিকে বিভক্ত করছে; মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কলঙ্কিত হচ্ছে। নতুন তালিকা প্রণয়নের নামে এগুলো প্রতারণা। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন। মিডিয়া, দেশবাসী এমন কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রতারণা করছেন । দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উপজেলা ও জেলাসমূহে যে দুর্নীতি চলছে, যে সনদ ও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের নামে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের বিগত বছরগুলোর সকল সফলতা এমন কি মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের যে অবদান সব মলিন হয়ে যাবে এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীদের মত স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি গ্রস্থ নেতা/কমান্ডারদের কারনে।
কারন আপনি আদর্শিক কারনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করছেন। সমস্ত মন্ত্রী এম পি দের তৃনমূলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ক্ষমতা ও অর্থ সম্পদ শালী মধ্য শ্রেণীর নেতা যার মধ্যে অর্ধেকই প্রায় জামাত শিবির ও বি এন পি, তাদের সাথে তাল মিলিয়ে, হাত মিলিয়ে আমার মত পাগল ছাগল নিবেদিত ত্যাগি সৎ নিষ্ঠাবান অভিজ্ঞ উচিত কথাবলার প্রকৃত মুক্তিসেনাদের এভাবেই তারা অপমান তাচ্ছিল্য করে দূরে সরিয়ে রাখে। যে কারনে ছাত্রলীগের ছেলেদের সেনাবাহিনী নৌ বাহিনী বিমান বাহিনী পুলিশ বিজিবি ও অন্যান্য সরকারী ভালো পদে চাকুরী হয় না।
কারন ওরা ত টাকা দিতে পারবে না। দলীয় ছাত্র লীগের ছেলেদের নিকট টাকা চাইতেও পারে না; যদি আবার নেত্রীকে বলে দেয় বা জানিয়ে দেয়। তাই গোপনে আওয়ামী লীগের নেত্রীর বিশ্বাসী নেতাগন গোপনে চাকুরী প্রদান করে, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তির সুপারিশ ও তদবীর করে জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েদের । কারন টাকা পাওয়া যাবে।
উত্তরা ও এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় আমার বাস। আমার জানা মতে ঠিক আমারই মত ত্যাগি জীবনবাজী রেখে নৌকার জন্য ভোট সংগ্রহ কারীর একটি মেয়েকে বঙ্গ মাতা স্কুলে ভর্তির জন্য কি না করেছে? মায়া ভাই পর্যন্ত বিষয়টি জানতেন। সে মেয়েটি সুযোগ পায়নি; দেখা গেছে-ঢাকা এয়ারপোর্ট ও বিমানে চাকুরীরত জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েরা অজানা রহস্যের কারনে সবাই সুযোগ পেয়ে গিয়েছে।
এর নাম স্বাধীনতা ? মুক্তিযুদ্ধ ? আওয়ামী লীগ ? এত সে বঙ্গবন্ধুর নৌকা ডুবানোর দুরদন্ত শয়তানী মাঝি খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, চাষী মাহবুবুল আলম, নূরুল ইসলাম, কে এম ওবায়দুর রহমান তাহের উদ্দিন ঠাকুরদের চেয়ে একটূ কম নয়। আমিই হলাম বাঙ্গালী জাতির মধ্যে সবচেয়ে কুলাঙ্গার। ধিক্রিত অবহেলিত লাঞ্ছিত মূর্খ বেয়াকুপ বেয়াক্কেল আহাম্মদ বোকা গাধা । না পারলাম প্রাণ খুলে হাসতে না পারলাম দুটি কন্যা সন্তানকে প্রাণ খুলে হাসতে। কি লাভ হল? এ স্বাধীনতায়? যে স্বাধীনতা আমার অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না; সে স্বাধীনতাকে আমি কেন স্বীকৃতি দেব? রাষ্ট্রই যদি আমাকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়, আমি কেন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবো? কেউ দেবে না। এটাই নিয়ম, এটাই লজিক। জানি আমি এতে হবো রাষ্ট্রদ্রোহী। তাও মন্দ কী? একটা কিছু ত হবো? আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ঘাড় ধরে বেড় করে দেয়?? এ স্বাধীনতার অর্থ কী? কেন পেলাম? কি আশায় স্বাধীন হলাম? কিসের নেশায় নৌকা নৌকা মুজিব মুজিব করে জীবনের শেষ অবস্থানটুকুকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে নির্বাসিত হলাম এই দ্বীপ রাজ্য মালদ্বীপে । ভুল কোথায়? ভুল তো আছেই হয়তো জানিনা জীবনের কোথায় কোন সিদ্ধান্তে বড় রকমের ভুল ছিল। তাই ভুলের মাশুল দিয়ে গেলাম ৬৫ বছর বয়সের মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি।
📷ভুল তথ্য দিচ্ছেন। এর সমাধান চাই। এর একটি পরিস্কার ব্যাখ্যা চাই; সত্যের জয় হবে; তাই চাই; জাতিরজনকের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ ক্ষমতায় থেকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের নিয়ে রঙ তামাশা করবে; মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণের নামে ব্যবসা করবে, এর জন্য যুদ্ধে যাইনি, এর জন্য ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী শহীদ হয়নি; এর জন্য ২ লক্ষ ৪০ হাজার মা বোনের ইজ্জত হারায়নি। আসল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাই করতে ব্যর্থ মোজাম্মেল হক।
এই মিথ্যাচারের জন্য আল্লাহ্ বিচার করবেন রোজ হাসরের দিন। মহান আল্লাহর বিচারে কারো হাত নেই। আল্লাহর উপরে কোন মন্ত্রী নেই; আল্লাহর উপরে বিচারক নেই; রোজ হাসরের থেকে শক্তিশালী ক্ষমতাবান কোন আদালত নেই। বহু আসল মুক্তিযোদ্ধা এখনো তালিকার বাইরে এবং এ সমস্যা আগামী ১০০ বছরেও কোন সরকার সমাধান করতে পারবে না। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড হবে ।
মন্ত্রী নিজেও জানে না যে উপজেলা জেলা গুলোতে এই তালিকা নিয়ে কি পরিমান টাকার ছাড়াছড়ি চলছে? কি পরিমান ব্যবসা করছে নব্য থানা কমান্ডারগণ। এমন কোন উপজেলা নেই যেখানে সত্যকারের মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ে নাই এবং ভূয়া মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী মন্ত্রীর ক্ষমতা বলে নয়তো এম পির ক্ষমতা বলে অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষমতা বলে নতুন তালিকায় নাম লিখিয়েছে। এমন প্রমান আমার গ্রামে আমার ইউনিয়নে রয়েছে। আমি ত অন্যের ক্কথা শূনে এ সব লিখিনি ভাই।ফুরিয়ে যাচ্ছে ৭১ এর সোনার ছেলে মেয়েরা, বেচে থাকবে শুধু ৭১ এ জন্ম নেয়া নব্য মুক্তিযোদ্ধারা, যারা লক্ষ টাকায় মুক্তিযুদ্ধের সনদ কিনে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে। আমরা মুজিবনগরে (ভারতে) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এর চেয়ে বড় পরিচয়ের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপ ভারতের চাদপাড়া এবং পরবর্তীতে ব্যারাকপুর মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং আমরাও একই সময়ে একই শিবিরে একই কমান্ডারের অধীন প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা। ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপের নাম যদি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তালিকায় থাকতে পারে, তবে আমাদের নাম থাকবে না কেন? শুধু আমরা নই, সারা বাংলাদেশে বহু অখ্যাত অপরিচিত অশিক্ষিত অজো পাড়া গায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি। বহু মুক্তিযোদ্ধা ইতোমধ্যেই পরলোকগমন করেছেন, কোন স্বীকৃতি ও সুযোগ সুবিধা ভোগ না করেই তারা চলে গেছেন বাঙ্গালী জাতিকে মহান স্বাধীনতা প্রদান করে। তাদের নাম কে তালিকাভুক্ত করবে? কেন একটি সঠিক তদন্ত কমিটি কর্তৃক সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা হয়নি? এ প্রশ্ন সরকার ও দেশবাসীর কাছে। আমরা মনে করি মহান মুক্তিযুদ্ধের নেত্রিত্বদানকারী দল হিসেবে জাতিরজনক বংগবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের এ মহান দায়িত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের জীবদ্ধশায় সম্পন্ন করা উচিত। সবাই শেয়ার করুন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সত্যিকারে শ্রদ্ধা থাকে।
আমার সার্টিফিকেট দরকার নাই। কোন ভাতার দরকার নাই। আপনি মুসলমান দাবী করলে আমি কেন করবো না? আমিও তো নামাজ পড়ি? মন্ত্রী আমাকে অপমান করতে পারে না। তার চেয়ে আওয়ামী লীগের জন্য আমার অবদান সেই ৬৯ থেকে অদ্যাবধি তিল পরিমান কম নয়; বঙ্গবন্ধু আমাকে চাকুরী দিয়েছিলেন সচিবালয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। অমুক্তিযোদ্ধা ভাতা পায় এবং তা আওয়ামী লীগের আমলে এবং আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর স্বাক্ষরে কেন? আমার কি ইচ্ছে করে না যে আমার সন্তান মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হোক। আমার সন্তানের কি ইচ্ছে করে না, তার বাবা মুক্কতিযোদ্ধা এ কথা অন্য দশজনের নিকট বলে গৌরব বোধ করতে? মন্ত্রীর ইচ্ছে মত চলতে পারে না; এ সব তথ্য নেত্রীর জানা দরকার।
নিবেদক – মোকতেল হোসেন মুক্তি, কন্ঠশিল্পী মুক্তিযোদ্ধা,
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সময়৭১।
মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা
সাধারণ সম্পাদক
মালদ্বীপস্থ প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন
সুরকার গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক
সঙ্গীত শিক্ষক
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।
সঠিক মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের জন্য চাই
“আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন”
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। আমি কোন ইতিহাসবীদ নই, যদিও ইতিহাস আমার লেখা পড়ার একটি বিষয় ছিল। আমি কোণ গবেষক নই, পন্ডিত বা জ্ঞানপাপী নই। আমার চোখে দেখা এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকালে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি কথা বলি। কারো থেকে শুনে বা জেনে জ্ঞান সংগ্রহ করে লেখালেখি করিনা।
৭১ এর সে ত্রাহী ত্রাহী ক্ষণ, ঘর ছেড়ে সাড়ে সাত কোটি মানুষের পালিয়ে বেড়ানো, আত্ম রক্ষার জন্য এক জেলা আর এক জেলা, শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়ীতে যাবার পথে হয়রানি, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পতিমধ্যে পাক সেনা ও আল বদর আল শামস রাজাকার কর্তৃক লুন্ঠন লাঞ্ছনা যুবতী মেয়েদের অপহরণ ধর্ষণ হত্যার মত মধ্যযুগীয় বর্বর লোমহর্ষক গণহত্যা অনেক কিছু নিজের চোখে দেখা আমার স্বপ্ন সাধনা ৭১ এর মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ ।
আ’লীগ সরকার জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করা সোনার ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে সীমাহীন দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও অমুক্তিযোদ্ধাদের সনদ প্রদানও ঠিক ৭১ এর মত আমার নিজের চোখে দেখা-আমি নিজেই কালের স্বাক্ষী- কারো থেকে নেয়া সংবাদে আমি বিশ্বাস করিনা। এই অনাচার অবিচার অন্যায় জুলুম দুর্নীতি ঘুষ স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে আমার এ সংগ্রাম।
আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সরকারী সাহায্য পাবো, সে আশায় আমি এ যুদ্ধ করছি না এবং সে লোভে মুক্তিযোদ্ধা হতে চাইনা;
আমার দাবী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরুপনে যেনো কোন ভুল না হয় এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পৃক্ত দোষী লোভী নেতা মন্ত্রী কমান্ডারদের বিচারের আওতায় আনা হোক।
হোক আর একটিবার গোটা দেশ ব্যাপী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন । কারন সকল কমান্ডরগণ যুগে যুগে ক্ষমতায় এসে অর্থের বিনিময়ে নিজের আত্মীয় স্বজন ও অন্যান্যদের মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছেন। ১৯৯১ সালে হয়েছে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বংশধর ভক্ত অনুরাগী ঠিক যেমনটি হয়েছে ২০০১ থেকে ২০০৬। অন্যদিকে মুবিম ও জামূকায় যুগে যুগে হয়েছে লুন্ঠন । ৪ লক্ষ ৫ লক্ষ টাকায়ও মুক্তিযোদ্ধা সনদ বিক্রয় করেছে মুবি মন্ত্রণালয় জামূকা যারা আজো মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভূক্ত রয়েছে।


মিস্টি কথা মিস্টি ভাষন নীতিকথা শুনতে ভালো লাগে প্রাণ জুড়িয়ে যায়, শ্রদ্ধা বেড়ে যায় আপনাদের উপর।
আপনি মাঝে মাঝে শিশুসূলভ আচরন করেন, কথা বার্তা বলেন; অনেকেই সমালোচনা করে আপনাকে নিয়ে আপনার বাৎসল্য সূলভ হাস্য রস কৌতুক নিয়ে-কারন আপনি একটি জাতিরাস্ট্রের স্বামী অর্থাৎ পতি। কিন্তু ওরা এটা বোঝেনা যে আপনারও মন আছে এবং আপনি অন্য হাজারো রাজনৈতিক ভন্ডদের থেকে পরিপূর্ণ শুদ্ধ বিচক্ষণ একজন ব্যক্তি।
কিন্তু যখন মনে পড়ে –
আওয়ামীলীগ দ্বারাই ধর্ষিতা হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, তখন ঘৃনায় বলতে লজ্জা করে যে এক সময় আমিও নৌকার নিবেদিত কর্মী ছিলাম। এক সময় নৌকায় ভোট দিতাম এবং ভোট চাইতাম।
আপনার সাথেই তারা বসেন আপনার সাথেই দেশ চালায়, চাপাবাজি করে, লুন্ঠন করে লুটপাট করে, স্বজনপ্রীতি করে যেমন আক ম মোজাম্মেল হক আব্দুস সোবহান গোলাপ শাহজাহান খান আরো অনেকেই; তখন কষ্ট পাই; আপনার কথায় মন থেকে হাসি আসেনা; মনে হয় আপনি গোটা জাতির সাথে হাস্য কৌতুক করে মুক্তিযুদ্ধকে তিরস্কার করছেন; মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে ১৭ কোটি মানুষের নিকট হাস্যস্পদ হিসেবে নিজেকে হাজির করছেন।
সাধারনতঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাসেন না; কারন তাঁর হাসি ফুরিয়ে গেছে ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালের কালোরাত্রেই।
আপনি গণভবনে বাস করেন; খান দান ফুর্তি করেন, গান বাজনা শোনেন, অনুষ্ঠানাদিতে যান, গল্প করেন হাস্যরস কৌতুকে মঞ্চের সবাইকে হাসিয়ে বাসায় ফেরেন। আপনি কি জানেন ৭১ এর সেই বীর মুক্তিযোদ্ধারা হাসতে ভুলে গেছে, তারা হাসতে জানে না? যারা আপনাকে এই রাস্ট্রপতির আসনে বসিয়েছে, তারা কাঁদছে, আপনি কি সে কান্না শুনতে পান মহামান্য রাস্ট্রপতি?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তির আবেদন
Their service is brilliant! I really hope some of them are now using your service.
Fiona
“Love the flexibility”
We are very happy with the box and we value that we can have the standard box or choose our own.
Joseph
“Fantastic quality”
I’m really appreciating the quality and presentation. The flavour of the veg is outstanding.
Michelle
প্রধানমন্ত্রীর অফিস ও গণ ভবনের চামচাগুলো যা’জানে তার অর্ধেকও নেত্রীকে জানায়না। কেন?
পত্রপত্রিকা থেকে শুরু করে অনলাইনের একটি সংবাদ টিক শেখ হাসিনার কানে যায়? যায়না।
- রম্য রচনাঃ *কুখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি*(বিশ্বকাপ ত বিশ্বকাপই এর সাথে লোকমানের কোন তুলনা করা চলেনা) রম্য রচনাঃ *কুখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি*👹👹👹👹👹👹👹👹👹👹 পাপন সাহেব বলেছেনঃ বিশ্বকাপ তো বিশ্বকাপই ১। বাঙ্গালী ভুলে গেছে – বিসিবি ও বি এন পি’র ক্যাসিনো লোকমানের কথা;২। বাঙ্গালী ভুলে যায় অতি…
- মুক্তির কথামুক্তির কথা মুক্তির ব্যথা আমার নিজস্ব বিশেষ কোন পরিচিতি নেই। ৭১ এ মুজিব নগর (ভারত) গিয়েছিলাম ৯ দিন পায়ে হেটে মুক্তিযোদ্ধা হব, দেশ স্বাধীন করবো। তাই করেছিলাম। সফল হয়েছিলাম ১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় ছিনিয়ে এনে। বিজয় এনেছিলাম বাঙ্গালীর ভাগ্যোন্নয়নের…
- সঠিক মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের জন্য চাই“আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত কমিশন” মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যাই হোক। আমি কোন ইতিহাসবীদ নই, যদিও ইতিহাস আমার লেখা পড়ার একটি বিষয় ছিল। আমি কোণ গবেষক নই, পন্ডিত বা জ্ঞানপাপী নই। আমার চোখে দেখা এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকালে লব্ধ…

